গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিধ্বংসী ৩৮ হামলায় নারী শিশুদের হাহাকার এ বাতাস ভারী, উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ
সারথি প্রতিনিধি :
জাতিসংঘ উদ্বিগ্ন। জাতি সংঘ দীর্ঘ ইসরায়েল ও হামাস যুদ্ধের উপর তীক্ষ্ণ নজর রেখে জানিয়েছে- এখনো পর্যন্ত ক্ষিপ্ত ইসরয়েল গাজা উপত্যকায় প্রায় ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তার জেরে হামলার অব্যাহতি পূর্বেই পুরুষরা শিবির ছাড়লেও অধিকাংশই নারী ও শিশুদের নিধন হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ের কমিশনার জানিয়েছেন- ১৮ ই মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় বিভিন্ন আশ্রয়স্থল, আবাসিক ভবন এবং শরণার্থীরা যেসব তাবুতে ছিলেন তাদের উপর ২২৪ বার বিমান হামলা হয়েছে, তার মধ্যে ৪০বারই নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হয়েছে! বারবার জাতিসংঘ হুঁশিয়ারি দিলেও ক্রুদ্ধ ইসরাইল তাদের আগ্রাসী হানা থেকে নিবৃত্ত হয়নি। প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির সময় থেকে আজ পর্যন্ত গাজায় ইজরায়েলি হামলায় প্রায় ১৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রাপ্ত সূত্রে জানা গেছে।

নতুন করে ইজরায়েল- হামাস যুদ্ধবিরতির পরে পরেই আবারো গাজা উপত্যকায় তারা পূর্ণমাত্রায় অবরোধ শুরু করেছেন। যার ফলে সেখানে ওষুধ ,পানীয় জল এবং খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘ গাজা উপত্যকার হাহাকারের চিত্র দেখে মানবাধিকার লংঘনের কারণে ইসরাইলকে ভৎসিতও করেছে । যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে ফিলিস্তিনিদের একক গোষ্ঠী হিসেবে অব্যাহত অস্তিত্বকে তারা সম্পূর্ণভাবে মুছে দেবে বলেও ইসরায়েল হুঁশিয়ারি দিয়েছে। অন্যদিকে গাজায় ইসরাইল সিরিয়াল বোমা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। খুব সম্প্রতি ইসরাইলের হানায় ৩৭ জন গাজাবাসী নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন খবরের সূত্র প্রাপ্ত রিপোর্টে জানা গেছে- এই মুহূর্তে গাজার একমাত্র রোগী পরিষেবা প্রাপ্ত আ.আ. আরব হাসপাতালেও ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে – আমরাই হসপিটালে হামলা চালিয়েছি তার কারণ হাসপাতালটি এখন হামাসদের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে মরিয়া ইসরাইল বিশ্ব নেতাদের শাসানি ও কটুক্তি হজম করে লাগাম ছাড়া চূড়ান্ত আঘাত গাজা উপত্যকায় আনতে উদ্যত হয়েছে বলেই বিশেষজ্ঞদের অভিমত।।
সারথি নিউজ অনলাইন
