‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’–রবীন্দ্র জন্মদিবস উপলক্ষে সত্যেন্দ্রনাথ পাইনের শ্রদ্ধা
আজ বাংলার ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। আমাদের প্রাণের কবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্মদিন। জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ ইংরেজীর ৮ মে।।আমরা এখানে তাঁর স্মৃতি তর্পনে হাজির হয়েছি। আমাদের গর্বের বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। ইংরেজি সাহিত্যে উইলিয়াম শেক্সপিয়ার যেমন আর আমাদের বাংলা সাহিত্যের জগতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠিক তেমনি ।
তাঁর সৃষ্টির জন্য আজ আমরা বাঙালি বলে গর্বিত। তাঁর সৃষ্ট গান আজ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত – যেটা ইউনেস্কো থেকেও বন্দিত।
এই বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় আমাদের পাশের দেশেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম।। সেখানের জাতীয় সঙ্গীত ও তাঁরই লেখা।
আমাদের বাংলা আজ বিশ্বে সমস্ত ভাষায় কথা বলতে পারে এমন মানুষের বিচারে আমরা চতুর্থ স্থানে রয়েছি। এর জন্যও রবীন্দ্রনাথ। তিনি আমাদের প্রাণের ঠাকুর, কী যে করেননি তা বলে শেষ করা যাবে না। তিনি নৃত্যে, গানে, আধ্যাত্মিকতায়, ব্যাকরণে, দর্শনে, সাহিত্য, সাময়িকীতে সর্বত্রই এক এবং অদ্বিতীয় মহাপুরুষ। তাঁর স্মৃতির প্রতি উদাত্ত কণ্ঠে গাওয়া গান যেন গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোর মতোই উদার মহান বিজয়। আসুন আমরা এখানে মিলিত হয়ে আজ সেই ১০১ তম দেবের আরধনা করে ধন্য হই।
ভূলে না যাই তাঁর বানী, এবং অন্যান্য কথামালা। তাঁর লেখা ও সুর করা গান যেন আমাদের প্রতি পদক্ষেপে বন্দিত এবং নন্দিত।
তাঁকে ছাড়া এক পাও আমরা চলতে ফিরতে পারবোনা।
শতকোটি প্রণাম জানিয়ে শুরু করছি ক্ষুদে শিল্পীদের সমন্বয়ে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন ।
ধন্যবাদ জানাই সকলকে ।শুরু করছি আমাদের পথ চলা — আলো আমার আলো ওগো আলো ভূবন ভরা—-+
তোমারে ত্যাজিয়া যাই কোথা সুখ সন্ধানে
তুমি যে আমার জীবনের শুকতারা
তোমারে পাইয়া হবো নাকো পথহারা
তোমাকে ছাড়িয়া যাই যদি কভু কোথা
তুমি থেকো সাথে দেখিয়ো পথ সারা।
নমস্কার।
সারথি NEWS অনলাইন
