শিল্প বিনিয়োগের আদর্শ জায়গা বাংলা, বিদেশে শিল্প সম্মেলনে সি.এম.-এর প্রশংসায় শিল্পপতিগণ
সংবাদ সারথী প্রতিনিধি :
গাঙে বান আনতে অর্থাৎ বাংলায় শিল্প টানতে বিদেশ সফরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি বছরই লাক্সমি আহবান এর লক্ষ্যে বাংলায় বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন হয়ে থাকে। এ বছরও ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন। গত মঙ্গলবার ভারতীয় সময় আটটা নাগাদ লন্ডনের সেন্ট জেমস কোর্ট হোটেলে এডওয়ার্ডয়ান হলে শামিল হলেন দেশের শিল্প ব্যক্তিত্বরা। উপস্থিত ছিলেন বিদেশী শিল্প পতিরাও। পরিপূর্ণ হলে মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে শিল্প নিয়ে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। ব্রিটিশ শিল্পপতিদের কাছে তার আবেদন- রাজ্যে শিল্প স্থাপনের সব ধরনের অনুকূল পরিস্থিতি বর্তমান। বাংলায় শিল্প বিনিয়োগ করুন। মঙ্গলবার এর শিল্প বাণিজ্য বৈঠকে দেশীয় শিল্পপতিদের কথায়: মুখ্যমন্ত্রী নিজে কিভাবে দাঁড়িয়ে থেকে শিল্প টানতে উদগ্রীব, পশ্চিমবাংলায় কিভাবে একটি কর্ম দিবস নষ্ট না করে শিল্পায়নের পরিবেশ আনতে সচেষ্ট হয়েছে তার ব্যাখ্যা দেন । পূর্ববর্তন সরকার এর আমলে কথায় কথায় ঝান্ডা ধরে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের প্রসঙ্গও উঠে আসে। কিন্তু এখন আর নষ্ট হয় না শ্রম দিবস– বলেন শিল্পপতি সঞ্জয় বুধিয়া। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যাওয়া রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ – কর্মদক্ষতা থেকে আইটি লজিস্টিক হাব প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলার উন্নয়নের প্রসঙ্গের কথা উল্লেখ করেন। শ্রীপন্থ শুধু যে ক্ষুদ্র শিল্পে বাংলা বিস্তার করেছে তা নয় বৃহৎ শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রেও প্রথম তিন চারটি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবাংলা রয়েছে বলে জানান। বিদেশি শিল্পপতিদের কাছে বাংলা কেন শিল্প স্থাপনের জন্য উপযোগী তার ব্যাখ্যা দেন দেশের অন্য শিল্পপতিরাও। সেদিনের বাণিজ্য সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য উপস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম দোরাইস্বামীর। তার বক্তব্যে রাজ্যের শিল্প বন্ধ পরিবেশের প্রশংসা শোনা যায়। তার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য- পশ্চিমবাংলা যোগাযোগ এর দিক থেকেও উত্তর পূর্ব ভারত , বাংলাদেশ ও নেপালের গেটওয়ে। সেদিক থেকে দার্জিলিংয়ের চা তো বিশ্বসেরা। আগামী দিনে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বাংলার সম্ভাবনা যথেষ্টই। অন্যতম উপস্থিতি ইউকেআইবি চেয়ারম্যান রিচার্ড হেল্ড’র। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে অনেক আগে থেকেই তার পরিচিতির কথা জানান। তিনি বলেন – কৃত্রিম মেধা এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে পশ্চিমবাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে ব্রিটিশ রা কাজ করতে আগ্রহী। আমি নিজে দ্রুত কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।। তাৎপর্যপূর্ণ বাণিজ্য সভায় উপস্থিত ছিলেন লক্ষী গ্রুপের এমডি রুদ্র চ্যাটার্জী, সঞ্জীব গোয়েনকা গ্রুপের ভাইস্ চেয়ারম্যান শাশ্বত গোয়েঙ্কা সহ একাধিক ছোট বড় শিল্পপতিরা। তাদের প্রত্যেকের কথায় – বাংলায় বিনিয়োগের জন্য আদর্শ ডেস্টিনেশন। আসুন বাংলার জন্য কাজ করি।। অন্যদিকে, লন্ডনের পূর্ব কর্মসূচির ধারা বজায় রেখে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক নামী কলেজে “সামাজিক উন্নয়ন এবং নারী ক্ষমতায়ন”- srisrok আলোচনায় বক্তৃতা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বার্তা বহন করে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।।
সারথি নিউজ অনলাইন
