এবার দুয়ার এ দীঘায় নয়া জগন্নাথ মন্দির এর অভিনব মহাপ্রসাদ? তৎপর প্রশাসন
সংবাদ সারথি প্রতিনিধি :
পশ্চিমবাংলার উন্মাদনা সৃষ্টিকারী নয়া ধর্মীয় মাহাত্ম্য প্রতিষ্ঠান এখন দিঘার জগন্নাথ মন্দির। জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের অব্যাহতি পরে পরেই প্রথম স্থানযাত্রা সহ ৫৬ ভোগ নিবেদনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে নজরদারি করেছেন। গত বুধবার ১১/০৬- ২০২৫ এ দীঘায় জগন্নাথ মন্দির কে কেন্দ্র করে স্নানযাত্রা যে শুধু উৎসবের রূপ নেয় তাই নয় একটি চমকপ্রদ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তা সম্পন্ন হয়। বৃষ্টি বিঘ্ন ঘটালেও ধর্মীয় আচার ‘পাহাড়ি বিজয়’ কে কেন্দ্র করে সন্ন্যাসীরা নাম সংকীর্তন করেন, স্থানীয়রা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। সেদিনের অনুষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য দিক সুভদ্রা, বলবদ্র এবং জগন্নাথ দেবের নিম কাঠের মূর্তিকে নিয়ে যাওয়া হয় রীতি মেনে স্নান বেদীতে। সর্বমোট ১০৮ টি ঘড়ায় রাখা জল আর তার সাথে দুধ ঢেলে স্নান করানো হয় এই তিন দেব-দেবী কে।

এখন প্রশ্ন- জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা লাভের পর প্রসাদী মিষ্টি কিভাবে পৌঁছবে আমজনতার হাতে? জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর- জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা কে কেন্দ্র করে মহাপ্রসাদ বিতরণ হবে দুয়ারে রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে। সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে- তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর, প. ব.। প্রসাদের মান যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবে ফুট সেফটি বিভাগ।
জানা গেছে,এখনো পর্যন্ত সরকারের নাকি ইচ্ছে দীঘায় সদ্য জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠা কে উপলক্ষ করে জগন্নাথ মন্দিরের ছবি এবং সাথে মহাপ্রসাদ পৌঁছাবে বাংলার বাড়িতে বাড়িতে !
প্রসাদের প্যাকেটে থাকবে একটি perrya এবং একটি গজা আর জগন্নাথ মন্দিরের ছবি।
সদ্য নির্মিত হওয়া দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের মহাপ্রসাদ বিতরণ কে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের এর বক্তব্য– ইতি মধ্যেই ব্লক এ ব্লকে দরপত্র আহবান করা হয়েছে, ন্যূনতম কিছু শর্ত থাকবে। স্বচ্ছতার সাথে প্রসাদ এর উৎকর্ষতা উপর জোর দিয়ে ই আসন্ন রথযাত্রার আগেই সার্বিক বিলি বিতরণ ব্যবস্থা সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা জারি রাখা হয়েছে।
এখন দেখার প্রচেষ্টা এবং বাস্তবায়ন এর মেলবন্ধন কতখানি সাধিত হয়। উল্লেখ্য ইতিমধ্যে ই ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতে শুরু হয়েছে। তাই পশ্চিমবাংলার আগামী দিনগুলিতে সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপই কতখানি আম দরদী নাকি ভোট লক্ষ্যে? তা প্রমাণ হবে ২০২৬ এর প্রথম ৬ মাসের মধ্যেই।
