পাহেলগাম বর্বরতার পর আপাত শান্ত উপত্যকা,পাক অধিকৃত উপত্যকায় আবারও জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি

 পাহেলগাম বর্বরতার পর আপাত শান্ত উপত্যকা,পাক অধিকৃত উপত্যকায় আবারও জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি

চলতি বছরের মে মাসে পাহেলগামে জঙ্গি হামলার ঘটনা আমরা কেউই ভুলিনি, তারই জবাব ‘অপারেশন সিঁদুর’এর মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল পাকিস্তানসহ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দশটি জঙ্গিঘাঁটি। কিছুদিন স্বস্তির নিঃশ্বাস ছিল ভারতবাসীর মনে। প্রাপ্ত খবর, ধীরে ধীরে গুঁড়িয়ে যাওয়া জঙ্গি ঘাটি গুলি আবার তৈরি করতে শুরু করেছে পাকিস্তান মদত পুস্ত জঙ্গি সংগঠনগুলি। ভারতীয় গোয়েন্দাদের চোখে ধুলো দিতে এল ও সি থেকে অনেকটা দূরে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এ জঙ্গিদের ঘাঁটিগুলি গড়ে উঠছে অন্য ধাচে। তৈরি হচ্ছে হাইটেক ঘাঁটি! কি সেই হাইটেক ঘাঁটি?
ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, আই এস আই এর মদতে ঘন জঙ্গলে ছোট ছোট হাইটেক ঘাঁটি তৈরি করছে যাতে জঙ্গিরা ভারতীয় নজরদারি এড়িয়ে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারে। জঙ্গিদের কাছে থাকছে, পেনি ট্রেটিং রাডারসহ উপগ্রহ নজরদারি মোকাবিলা ও প্রতিহত করতে থাকছে বিশেষ প্রযুক্তি। হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগলেও অন্য যে কোন রাষ্ট্র শক্তির সামরিক সরঞ্জামের মতোই পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদেরও উপগ্রহ নির্ভর সামরিক সরঞ্জাম বসাতে শুরু করেছে বলেই ভারতীয় গোয়েন্দা দপ্তর মারফত প্রাপ্ত সূত্র, যা কিনা রাষ্ট্রশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানরই আহ্বান! এছাড়াও জঙ্গিরা বিশেষভাবে ব্যবহৃত করবে থার্মাল ইমেজ আর। সূত্র অনুযায়ী পাক সেনা ও আইএসআই সক্রিয়ভাবে পুনর্গঠন করছে ১২ টি লঞ্চ প্যাড, যেগুলি অপারেশন সিন্দুরে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। জঙ্গিরা জম্মু অঞ্চলেও এল ও সি সংলগ্ন চারটি লঞ্চপ্যাড পুনর্গঠন করতে চেষ্টা চালাচ্ছে। ধরা পড়ার আশঙ্কায় বড় ঘাটির পরিবর্তে ছোট ছোট শিবির বানানো চলছে, যাতে আক্রমণ হলে ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। এই ঘাঁটিগুলির পাহারায় থাকবে পাকিস্তান এর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনা! তাদের হাতে থাকবে এন্টি ড্রোন প্রযুক্তি সহ আধুনিক কার্বাইন!
তবে ভারত কি একথা শুনে বসে থাকবে? সব দেখে শুনে ভারতও আন্তর্জাতিক সীমান্ত আটোsato ব্যবস্থা বজায় রাখছে পাহেলগাম ঘটনার পর থেকেই। বিশেষজ্ঞদের মতে- পাকিস্তানের এই পুনর্গঠনের উদ্দেশ্য ভারতের ফের অস্থিরতা তৈরি করা, আতঙ্ক ছড়িয়ে এবং দেশীয় ও বিদেশী পর্যটকদের জম্মু-কাশ্মীরে যাওয়া আটকাতে ভয় এর পরিবেশ বজায় রাখা। সব মিলিয়ে পাক জঙ্গিদের প্রতিহত করতে ভারতও প্রযুক্তি নির্ভর উপগ্রহ’র উপর বিশেষ জোর দিচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরো শক্ত করেছে। ফাঁকফকর মেরামত করছে। সম্প্রতি পাহেলগাম এ দুই জঙ্গি নিকেশে দেশবাসীর মননে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিল কিছুটা হলেও তা প্রলেপ দিতে পেরেছে।
এখন প্রশ্ন, আগামী দিনেও কি পাক জঙ্গি তান্ডবে ভারত ব্যাতিব্যস্ত থাকবে ! নাকি আধুনিক উপগ্রহ নির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সব ধরনের জঙ্গি নাশকতা দূর করে দেশবাসীর মনে সমগ্র উপত্যকা জুড়ে আতঙ্ক দূর করতে হাইটেক প্রযুক্তি প্রয়োগ ও পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে এল ও সি সমস্যা চিরতরে মুছে দিয়ে যথার্থই সরকার বলবে : উপত্যকা সম্পূর্ণ হিংসা মুক্ত।